language

ক্যাপাসিটার বা কণ্ডেনসার

ইলেকট্রনিক সাকিটে ক্যাপাসিটারের খুবই প্রয়ােজন হয় । তাই রেডিও , টেপ রেকর্ডার এবং টিভিতে অনেক । ক্যাপাসিটার ব্যবহৃত হয় । ক্যাপাসিটারকে কন্ডেনসার ' ও বলা হয় । ধাতু বা যে কোন পরিবাহীর দুটি পাতকে ( plate ) সামনা - সামনি এবং সমান্তরালভাবে স্থাপন করে । তাদের মাঝখানে একটা ইনসুলেটার বা অপরিবাহী পদার্থ রেখে ঐ পাত দুটিকে পৃথক করলে বােট । একটা ক্যাপাসিটার ( capasitor ) বা কণ্ডেনসারে ( condenser ) পরিণত হয় /

ইতালীয় বৈজ্ঞানিক Laden সর্বপ্রথম আবিষ্কার ১ । করেন যে , দুটো পরিবাহী পদার্থের মাঝখানে একটা অপরিবাহী পদার্থ রেখে তাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে , সেখানে বিদ্যুৎ সঞ্চিত হয় । প্রথমে বিজ্ঞানীরা । ভেবেছিলেন যে , এখানে বিদং সঞ্চিত হয়ে একেবারে । জমাট বেধে যায় । তাই তাঁরা এর নাম দেন । কন্ডেনসার । কিন্তু পরে তাঁরা দেখলেন যে , এখানে বিদ্যুৎ একেবারে জমে যায় না , সঞ্চিত হয় মাত্র এবং প্রয়ােজনে এই বিদ্যুৎকে ব্যবহার করা যায় । তখন তাঁরা এর নাম দিলেন ক্যাপাসিটার ’ ( capa | citor ) বা ধারক । অবশ্য বর্তমানে ক্যাপা চিত্র - 11 - 1 সিটার ও কন্ডেনসার দুটো নামই প্রচলিত আছে । সাধারণতঃ U . K - তে কন্ডেনসার এবং U . S . A . - তে ক্যাপাসিটার নামটা ব্যবহার করা হয় । কন্ডেনসারের পরিবাহী পাত । দুটোকে বলা হয় প্লেট ( Plate ) এবং মাঝখানের অপরিবাহী পদার্থকে বলা হয় ‘ ডাই - ইলেকট্রিক ’ ( Die - electric ) । বা পরা - বিদ্যুৎ । প্লেট দুটোর জন্য সাধারণতঃ ছােট বড় যে কোন আকারের ধাতু বা যে কোন পরিবাহী পদার্থ ব্যবহার । করা যায় । আর ডাইইলেকট্রিক হিসাবে সাধারণতঃ অভ্র ( মাইকা ) , ফিল্ম ফয়েল , ফাইবার , বাতাস ( air ) এবং ওয়াক্স । পেপার ( মােম লাগান কাগজ ) ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় । | ক্যাপাসিটার ইলেকট্রিসিটি সঞ্চয় করে রাখে ( store ) , অর্থাৎ ধরে রাখে । ক্যাপাসিটারের এই ইলেকট্রিসিটি ধারণ । করে রাখার ক্ষমতাকে বলা হয় তার ক্যাপাসিটেন্স ’ ( capacitance ) বা ক্যাপাসিটি ( capacity ) । সাকিটে যুক্ত ক্যাপাসিটার প্রথমে ইলেকট্রিক এনার্জিকে ইলেকট্রিক ফিল্ডের আকারে সঞ্চয় করে এবং পরে প্রয়ােজনে এই এনার্জিকে সার্কিটে মুক্ত করে দেয় ( release ) । সুতরাং ক্যাপাসিটারকে ব্যবহার করা হয় প্রথমে ইলেকট্রিক এনার্জিকে ষ্টোর করার জন্য এবং পরে প্রয়ােজনে সেই এনার্জিকে সরবরাহ করার জন্য । ক্যাপাসিটারের যে এই ধর্ম , সেটা ইন্ডাকটারে ( inductor ) ধর্মের একেবারে বিপরীত । ক্যাপাসিটারে যে ইলেকট্রিসিটি জমা হয় তাকে বলা হয় চার্জ ( charge ) । আর ক্যাপাসিটারের এই চার্জ জমা করাকে বলা হয় চাজিং ( charging ) , এবং ক্যাপাসিটারের এই জমাকরা ইলেকট্রিক এনার্জি মুক্ত করে দেওয়াকে বলা হয় ডিসচার্জিং ( discharging ) । ক্যাপাসিটার যখন এনার্জি 

সঞ্চয় করে রাখে তখন বলা হয় যে ক্যাপাসিটারটা চার্জড , ( charged ) অবস্থায় আছে । আর ক্যাপাসিটারটা যখন এনার্জি মুক্ত করে দিয়ে । নিঃস্ব হয়ে যায় তখন বলা হয় যে ক্যাপাসিটারটা ডিসচার্জড , ( discharged ) অবস্থায় রয়েছে । চার্জ পরিমাপের । একককে বলা হয় “ কুল ’ ( coulomb ) এবং একে ‘ Q ' অক্ষরের দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।

*ক্যাপাসিটেন্সের একক বা ইউনিট ( unit ) :-

                    যে কোন ক্যাপাসিটারের ডিজাইন করা হয় তার ক্যাপাসিটেন্সের ভ্যাল , অনযায়ী । ক্যাপাসিটেন্স পরিমাপের একক হচ্ছে ‘ ফ্যারাড ’ ( farad ) । কোন ক্যাপাসিটারের ক্যাপাসিটেন্স এক ফ্যারাড তখনই বলা হবে যখন ক্যাপাসিটারের । প্লেট দুটো এক কুল চার্জ সঞ্চয় করলে যদি প্লেট দুটোর বিভব - বৈষম্য এক ভােল্ট হয় । অতএব , ক্যাপাসিটেন্স ( C ) = চার্জ ( Q ) ; সুতরাং Q = CE বিভব - বৈষম্য ( E ) ' এখানে , C = ফ্যারাডেতে ক্যাপাসিটেন্স ; Q = কুলম্বতে চার্জ ; E = ভােল্টেজে বিভব - বৈষম্য । যেহেতু , আমাদের জানা আছে যে , 1 কুলম্ব = 3x10° e , s . u . চার্জ । | এবং 300 ভােল্ট = 1e . s . u . বিভব অতএব , 1 ফ্যারাড় = _ 1 কুলম্ব _ 3x10° e . s . u . চাজ . ®1 ভােল্ট® 1 / 300 e . s . u . বিভব ১ = 9x1011 e , s . u . ক্যাপাসিটেন্স । সুতরাং , 1 মাইক্রো - ফ্যারাড = 10 - 6 ফ্যারাড = 9x105 e . s . u . ক্যাপাসিটেন্স । । আমরা এখানে একটা উদাহরণের সাহায্যে ক্যাপাসিটারের ব্যবহারিক প্রয়ােগ দেখব ধরা যাক , 50 মাইক্রোফ্যারাড ক্যাপাসিটেন্স যুক্ত একটা ক্যাপাসিটারকে 220 ভােল্ট সাপ্লাইয়ের সঙ্গে যুক্ত করা হল , তাহলে ক্যাপাসিটারটা কতটা পরিমাণ চার্জ গ্রহণ করবে ? আমরা জানি যে , Q = CEs - অতএব , চার্জ গ্রহণ করবে = 50x10° x220 = 11x10 - ৪ = 0 : 011 কুলম্ব । | ‘ মাইক্রো - ফ্যারাড ’ কথাটি বােঝানাের জন্য ‘ MFD ’ বা ‘ MF ’ বা ‘ uF ’ অথবা শুধুই ‘ M ’ অক্ষর লেখা হয় । আর পিকো - ফ্যারাড ’ কথাটি বােঝানাের জন্য ‘ PF বা শধ ‘ P ’ অক্ষর ব্যবহার করা হয় । এবং ন্যানাে ( Nano ) ফ্যারাডে জন্য ‘ NF ’ বা ‘ N ’ লেখা হয় । ন্যানাে ফ্যারাডকে আবার ‘ KP ’ বা ‘ KPF ’ ( Kilo pico - farad ) আকারেও লেখা •

*ক্যাপাসিটারের ভ্যালু :-

                   ব্যবহারিক কাজে ফ্যারাড হচ্ছে খুব বড় ইউনিট , তাই ব্যবহারের সুবিধার জন্য এর ভগ্নাংশ করা হয়েছে , যথা ] ফ্যারাড ( F ) = 10 " মাইক্রো - ফ্যারাড ( of ) = 1000 , 000pf = 1000KMF / KwF / KMFD 1 ফ্যারাড ( F ) = 102 মাইক্রো - মাইক্রো ফ্যারাড ( Muf ) 1 মাইক্রো - ফ্যারাড ( wf ) = 10 pf = 1000 , 000pf 1 মাইক্রো - ফ্যারাড ( mfd বা wF ) = 1000 ন্যানাে - ফ্যারাড ( NF বা N ) = 10 « ফ্যারাড 1 ন্যানাে - ফ্যারাড = 1000 পিকো - ফ্যারাড ( PF বা P ) = 1KPF 1 কিলাে পিকো - ফ্যারাড় বা ন্যানাে - ফ্যারাড় ( Kpf বা nf ) = 10 - ৪ ফ্যারাড 

                         1 পিকোফ্যারাড ( pf ) = 10 - 17 ফ্যারাড ।

                        10 ন্যানাে - ফ্যারাড = 10KPF = 10x 1000 = 10000PF = 019F

                        100 ন্যানাে - ফ্যারাড = 100KPF = 100 x 1000 = 100000PF = 0 : 1F

        সাকিট ডায়াগ্রামে ক্যাপাসিটারের ভাল লেখার সময় MF বা M বা wF বা mfd , NC বা N এবং ft বা P অক্ষরগুলি ব্যবহার করা হয় । এছাড়াও রেজিস্ট্যারের মত E , K , M এবং N অক্ষর চারটিও ব্যবহার । করা হয় ।

        এখানে , E = Pico - farad ( PF ) ,  K = Kilo pico - farad ( KPE ) ,  M = Microfarad ( MF ) এবং  N = Nano - farad ( NF )

       এই অক্ষর চারটি কিভাবে ব্যবহৃত হয় তার কয়েকটা উদাহরণ নীচে দেওয়া হল । যথা _

  E8 = 08PF 560E = 560PF 56K = 56 Kilo PF 4E7 = 4 : 7 PF 7K6 = 7 : 6 Kilo PF 2MF6 = 26 Micro farad 1N5 = 1 : 5KPF = 1 : 5x1000 = 1500PF    *ক্যাপাসিটারের ধর্ম ( Properties of Capacitor ) :- 

                       ক্যাপাসিটারের ধর্ম সাধারণতঃ তিনটি । যথার ) ; < s ( a ) ক্যাপাসিটার ইলেকট্রিক্যাল ফিল্ডের আকারে এনার্জি সঞ্চয় করে । ( b ) কোন ইলেকট্রিক সার্কিটে ভােল্টেজের কোন তারতম্য হলে ক্যাপাসিটারের ক্যাপাসিটেন্স তাতে বাধা দেয় । ( c ) ক্যাপাসিটার A . C . বিদ্যুৎ প্রবাহকে যেতে দেয় , কিন্তু D . C . বিদ্যুৎ প্রবাহের পথ আটকে দেয় । ক্যাপাসিটারের ভ্যাল , যত বেশি হবে , A . C - কে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা ( রােধ ) তার তত হ্রাস পাবে । ক্যাপাসিটারের এই রােধ বা রেজিস্ট্যান্সকে বলা হয় তার ‘ ইম্পিডেন্স ’ ( impedence ) । একটা বেশি ফ্রিকোয়েন্সীর A . C . সিগন্যাল ( যেমন রেডিও সিগন্যাল ) একটা কম ভ্যালুর ক্যাপাসিটারের মধ্য দিয়ে সহজে যেতে পারে । কিন্তু সাধারণ A . C . কারেন্টের যাওয়ার জন্য বেশি ভ্যালুর ক্যাপাসিটারের প্রয়ােজন । আবার ক্যাপাসিটারের ভ্যাল কম বা বেশি যাই হােক না কেন সে D . C . কারেন্টের যাওয়ার পথে বাধার সৃষ্টি করে এবং তাকে যেতে দেয় না ।

 *ক্যাপাসিটিভ রিএ্যাকুটেন্স ( Capacitive Reactance ):-

                কোন সার্কিটে যদি এ . সি . কারেন্ট প্রবাহিত হয় তাহলে সার্কিটে সংযুক্ত ক্যাপাসিটার প্রথমে চার্জ গ্রহণ করবে , এবং চাজ গ্রহণ করা হয়ে গেলে ক্যাপাসিটারের ভােল্টেজ সার্কিটে প্রবাহিত ভােল্টেজের পথে বাধার সৃষ্টি করবে ( খুবই সামান্য ) । অতএব , কোন এ . সি . সার্কিটে কারেন্টের প্রবাহ পথে ক্যাপাসিটার যে বাধার সৃষ্টি করে তাকেই বলা হয় ‘ ক্যাপাসিটিভ রিএ্যাটেন্স । একে প্রকাশ করা হয় ‘ xc ’ অক্ষরের সাহায্যে এবং এর পরিমাপের একক ( unit ) হচ্ছে ওস । এর থেকে আমরা নিম্নলিখিত সত্রটি পাই । যথা | Xc = 1 । ৬ 2fc® 6 : 28fc T = 314 ] এখানে , Xc = ওমসে ক্যাপাসিটিভ রিএ্যাকটেন্স । f = সাইকলস বা হার্টসে ফ্রিকোয়েন্সী প্রতি সেকেড়ে এবং c = ফ্যারাডেতে ক্যাপাসিটেন্স । অতএব , উপরের সত্র থেকে আমরা নিম্নলিখিত কয়েকটি সিদ্ধান্তে আসতে পারি , যেমন     ( i ) যখন    f = 0    ( অর্থাৎ ডি . সি . ) হবে , তখন ক্যাপাসিটিভ রিএ্যাকটেন্স    ( Xc ) হবে অসীম    ( infinite ) ।    ( ii ) যদি f অসীম হয় , তাহলে ক্যাপাসিটিভ রিএ্যাকটেন্স হবে শুন্য ।    ( iii ) যদি f বৃদ্ধি পায় ( যখন c স্থির থাকে অর্থাৎ কন্সট্যান্ট ) ,   তখন ক্যাপাসিটিভ রিএ্যাকটেন্স কমে যাবে । অথাৎ সহজভাবে বললে বলতে হয় ,    f ও c কমলে Xc বাড়বে এবং f ও c বাড়লে Xc কমবে ।

*ডি . সি - র সাহায্যে ক্যাপাসিটারের চার্জিং পদ্ধতি :-

                  ক্যাপাসিটারের টামিন্যাল পয়েন্ট দুটোতে ভােল্টেজ প্রয়ােগ করে তাকে চার্জ করা হয় । এই সময় সাকিটে ইলেকট্রন প্রবাহিত হতে থাকে । এই প্রবাহকে বলে চার্জিং কারেন্ট । এছাড়া ক্যাপাসিটারের প্লেট দুটোর মধ্যবর্তী জায়গায় একটা ইলেকট্রোস্ট্যাটিক ফিল্ডের সৃষ্টি হয় । এই ফিডের ক্ষমতা প্লেট দুটেরা পােটেনশিয়াল ডিফারেন্সের সমানুপাতিক । # চিত্র - 11 - 2 - তে দেখা যাচ্ছে যে , ক্যাপাসিটারের প্লেট দুটো নিউট্রাল অবস্থায় আছে , যেহেতু ক্যাপাসিটারটা কোন ভােল্টেজ সাের্সের সঙ্গে যুক্তনেই । এবারে ক্যাপাসিটারটাকে একটা বাইরের বা এক্সটার্ণাল ( external ) ডি . সি . ভােল্টেজ সাের্সের সঙ্গে যুক্ত | Ajল করা হল ( চিত্র - 11 - 3 ) , অর্থাৎ ক্যাপাসিটারের একটা - নেগেটিড ১ . প্লেটকে সাপ্লাই ভােল্টেজের পজিটিভের সঙ্গে যুক্ত যও প্লেট tu9 ) করা হল , আর অন্য প্লেটটাকে , সাপ্লাই ভােল্টেজের ইলেঞ্চে ফিল নেগেটিভের সঙ্গে যুক্ত করা হল । এখন প্লেট দুটোর পডেট মধ্যে বিভব - বৈষম্যের জন্য প্লেট দুটোর মধ্যে যাওয়া প্লে যায় সে ইলেকট্রন প্রবাহিত হতে থাকবে , এবং প্লেট দুটোর চিত্র - 11 - 3 স ! মধ্যবর্তী জায়গায় একটা ইলেকট্রিক ফিল্ডের সৃষ্টি । হবে । ভােল্টেজ সাের্সের পজিটিভে যুক্ত প্লেটটা পজিটিভ চার্জ যুক্ত হবে , আর নেগেটিভে যুক্ত প্লেটটা নেগেটিভ চার্জ যুক্ত হবে । পজিটিভ প্লেট থেকে যত বেশি ইলেকট্রন নির্গত হতে থাকবে , নেগেটিভ প্লেটে তত বেশি ইলেকট্রন যুক্ত হতে থাকবে । এরফলে যতবেশি লাইনস :

) অফ ফোর্সের ( Lines of force ) - ৯ মেটেড সংখ্যা বাড়বে , ততবেশি ভােল্টেজের । সম্পূর্ণ trjযক্ত পরিমাণ বাড়বে  । যখন । ) ক্যাপাসিটারের ভােল্টেজ তার সর্বোচ্চ ভ্যালতে পৌঁছাবে , তখন ফিল্ডের - প্লেট ইনটেনসিটি বা তীব্রতাও সবোচ্চ চিত্র - 11 - 4 সীমায় পৌঁছাবে । এই সর্বোচ্চ অবস্থানটা ততক্ষণই বজায় থাকবে , যতক্ষণ ক্যাপাসিটারটা এক্সটাণলি ভােল্টেজ সাের্সের সঙ্গে যুক্ত থাকবে । এখান থেকে আমরা আরও জানতে পারছি যে , কোন ক্যাপাসিটারকে যখন কোন একটাণলি ডি . সি . ভোল্টেজ  সােসের সঙ্গে যুক্ত করা হয় , তখন মাত্র সামান্যক্ষণের জন্য চার্জিং কারেন্ট প্রবাহিত হয় , তারপর প্রবাহ বধ হয়ে যায় । অথৎি অন্যভাবে বলা যায় যে , ক্যাপাসিটার ডি , সি , প্রবাহের পথে বাধার সৃষ্টি করে । আর ক্যাপাসিটার যতক্ষণ চার্জযুক্ত অবস্থায় থাকে , ততক্ষণ চায় প্লেট দুটোর মধ্যে ইলেকট্রিক ফিল্ডের অস্তিত্ব বজায় থাকে । 

*ক্যাপাসিটারের ডিসচার্জিং পদ্ধতি :- 

                    পুনরায় ফিরে পাওয়ায় জন্য ( recover ) , ক্যাপাসিটারের টামিন্যাল ক্যাপাসিটারে সঞ্চিত ইলেকট্রিসিটিকে পনরায় ফিরে পাওয়ায় জন্য ( recover ) ; পয়েন্ট দুটোর মধ্যে একটা ইলেক ১ ট্রিক্যাল কন্ডাকটিং পাথের সৃষ্টি word পঞ্জনের করতে হয় ( চিত্র - 11 - 5 ) । এই ধরনের ২২ ) কারেন্ট পাথকে বলা হয় “ ডিসচাজ  ইলেনের চর্ড কোন একটা চার্জিং ক্যাপাসিটার শ e2 থেকে এনার্জি ফিরে পাওয়ার এই চিত্র - 11 - 5 । | কাজকে বলা হয় ক্যাপাসিটারের ডিসচার্জিং । ডিসচাজিং - এর সময় ক্যাপাসিটারের নেগেটিভ । প্লেটে সঞ্চিত । অতিরিক্ত ইলেকট্রন ডিসচার্জ পাথের মাধ্যমে পজিটিভ প্লেটে প্রবাহিত হয় । এইভাবে এক নাগাড়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ চলতে থাকলে , নেগেটিভ প্লেটের নেগেটিভ চার্জ হ্রাস পাবে । ডিসচাজের সময় ইলেকট্রনের এই প্রবাহটা কারেন্ট ছাড়া আর কিছুই নয় । আর একটু বৈজ্ঞানিকভাবে । টক নিউট্রলপ্লেট বললে বলতে হয় , এটা হচ্ছে ‘ ডিসচার্জ কারেন্ট । | যখন ক্যাপাসিটারের উভয় প্লেট ইলেকট্রিক্যালি নিউট্রাল । হয়ে যায় তখন ক্যাপাসিটারে আর বিন্দুমাত্রও চার্জ থাকে । তখন বলা যাবে যে , ক্যাপাসিটারটা সম্পূর্ণ ডিসচার্জ । অবস্থায় রয়েছে ( চিত্র - 11 - 6 ) । ব্যবহারিক কাজে ক্যাপাসিটারের টামিন্যাল পয়েন্ট ২ . চিত্র - 11 - 6 দুটোকে একটা পরিবাহী তারের সাহায্যে যুক্ত করলেই ক্যাপাসিটার ডিসচার্জ হয়ে যাবে । 

*ক্যাপাসিটার কিভাবে কাজ করে :- 

              ক্যাপাসিটার কিভাবে কাজ করে তা উপরের চাজিং ও ডিসচার্জিং বিষয়টা থেকে মােটামুটিভাবে জানা হয়ে গেছে । এখানে বিষয়টাকে আর একটু সহজভাবে বলা হচ্ছে । যখন ক্যাপাসিটারকে ব্যাটারী বা অন্য কোন ডি . সি . ভােল্টেজ সাের্সের সঙ্গে যুক্ত করা হয় তখন ক্যাপাসিটার । চার্জড ( charged ) হয় অর্থাৎ ক্যাপাসিটারে ইলেকট্রিসিটি জমা হতে থাকে । এই পদ্ধতিকে বলা হয় চার্জিং । আবার । ক্যাপাসিটারকে ব্যাটারী বা ভােল্টেজ সোর্স থেকে পথক করে ক্যাপাসিটারের প্লেট দুটোকে কোন পরিবাহী তার । দিয়ে যুক্ত করলে ক্যাপাসিটারের এই সঞ্চিত ইলেকট্রিসিটি আস্তে আস্তে কমতে থাকে । এই পদ্ধতিকে বলা হয়  ডিচার্জিং । ধরা যাক , A ও B হচ্ছে ক্যাপাসিটারের দুটো প্লেট এবং এই প্লেট দুটোকে E তড়িচ্চালক বলের একটা ব্যাট্যরীর সঙ্গে যুক্ত করা হল ( চিত্র - 11 - 7 ) । এখন ব্যাটারীর নেগেটিভ প্রান্ত থেকে ইলেকট্রন ক্যাপাসিটারের A প্লেটের দিকে প্রবাহিত হতে থাকবে , এবং সেই একইসঙ্গে ক্যাপাসিটারের B প্লেট থেকে ব্যাটারীর পজিটিভ প্রান্তের দিকেও ইলেকট্রন প্রবাহিত হতে থাকবে । এরফলে প্লেট দুটোতে পজিটিভ ও নেগেটিভ ইলেকট্রিসিটির সষ্টি হয়ে ইলেকট্রন প্রবাহের পথে বাধার সৃষ্টি করবে । ক্যাপাসিটার যে পরিমাণ চার্জড় হয়ে । প্লেট দুটোতে ইলেকট্রিসিটি সঞ্চয় করে , ঠিক সেই পরিমাণ বিভব - বৈষম্য প্লেট দুটোতে বাড়ে । আবার এই বিভব - বৈষম্য বাড়তে বাড়তে যখন ব্যাটারীর তড়িচ্চালক বল E - এর সমান হয়ে যাবে , তখন চার্জিং প্রবাহও শুন্য হয়ে যাবে । এই অবস্থায় ক্যাপাসিটার সম্পর্ণেভাবে চার্জড হয়েছে বুঝতে হবে । এখানে একটা কথা মনে রাখতে হবে যে , চার্জিং পদ্ধতিটা সঙ্গে সঙ্গেই ( instant ) ঘটে না , এরজন্য কিছুটা সময়ের প্রয়ােজন হয় । ক্যাপাসিটারের চার্জিং আরম্ভ হওয়ার সময়েই চাজিং প্রবাহ থাকে সবচেয়ে বেশি , তারপর আস্তে আস্তে চাজিং চিত্র - 11 - 7 প্রবাহ কমতে থাকে , এবং ক্যাপাসিটার যখন সম্পূর্ণ চার্জড় হয়ে যায় তখন চার্জিং প্রবাহ একেবারে শূন্যতে এসে দাঁড়ায় । এই একইরকমভাবে ডিসচার্জিং আরম্ভ হওয়ার সময় ডিসচাজিং প্রবাহ থাকে সবচেয়ে বেশি এবং ক্রমশঃ কমতে । কমতে ক্যাপাসিটার যখন একেবারে ডিসচার্জড হয়ে যায় তখন প্রবাহ শুন্যতে গিয়ে দাঁড়ায় । বলা বাহুল্য চার্জিং - এর । মত ডিসচার্জিংও সঙ্গে সঙ্গেই হয় না , তার জন্যও কিছু সময়ের প্রয়ােজন হয় ।

*এ . সির সাহায্যে ক্যাপাসিটারের চার্জিং পদ্ধতি :-

                  আমরা জানি যে , অল্টারনেটিং কারেন্ট ( এ . সি . ) সাইন ওয়েভ আকারে যাতায়াত করে ( চিত্র - 11 - 8 ) । একটা । কন্ডেনসারকে একটা এ . সি . ভােল্টেজ সাের্সের সঙ্গে যুক্ত করলে দেখা যায় যে , A পয়েন্ট থেকে চার্জিং কারেন্ট / এ . সি . ডোন্টজ    প্রবাহিত হতে আরম্ভ করে পজিটিভ দিকে বাড়তে থাকে এবং যখন B বিন্দুতে পৌঁছায় তখন ক্যাপাসিটারের চার্জিংটা সবচেয়ে বেশি হয় ( চিত্র - 11 - 9 ) ! C G A = B বিন্দুতে ক্যাপাসিটার সম্পূর্ণ চার্জযুক্ত অবস্থায় থাকে । যেহেতু B বিন্দুতে চার্জিং কারেন্ট ( ভােল্টেজ ) সবোচ্চ অবস্থানে ( peak ) পৌছে যায় , তাই B বিন্দু থেকেই এই কারেন্ট হ্রাস পেতে থাকে । যারফলে চার্জিং ভােল্টেজের এ্যামলিচিউডে কমতে থাকে , অথাৎ ক্যাপাসিটার ডিসচার্জ হতে আরম্ভ করে । আবার চার্জ হাস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যাপাসিটারের ভােল্টেজও কমতে থাকে । ক্যাপাসিটারের চার্জ হ্রাস পেতে পেতে যখন C বিন্দুতে পৌঁছায় তখন । ক্যাপাসিটার সম্পূর্ণ ডিসচাজড় হয়ে যায় ।

এরপর আবার ক্যাপাসিটারের কারেন্ট ও ভােল্টেজ বাড়তে থাকে , অর্থাৎ ক্যাপাসিটার আবার চার্জ যুক্ত হতে থাকে । তবে এবার বদ্ধিটা হয় বিপরীত দিকে অর্থাৎ নেগেটিভ দিকে । যারফলে চার্জের পোলারিটিও পাল্টে যায় , সুতরাং  কারেন্টের দিকও পরিবর্তিত হবে । তখন কারেন্ট ( I ) ও ভােল্টেজের ( E ) মধ্যে ফেজ ( phase ) ডিফারেন্স দাঁড়াবে 90° । ক্যাপাসিটারের চাজটা শুন্য হবে , যখন সার্কিটে কারেন্ট থাকবে সর্বোচ্চ । আবার চাজটা যখন সর্বোচ্চ হবে তখন কারেস্টের পরিমাণ হবে শন্য । ক্যাপাসিটারে ভােল্টেজ কারেণ্টের চেয়ে 90° পিছনে থাকে , অর্থাৎ কারেন্ট ভােল্টেজের চেয়ে 90° আগে চলে ।

যখন চার্জ বিপরীত দিকের D বিন্দুতে পৌঁছায় তখন ক্যাপাসিটার সম্পূর্ণ চার্জ যুক্ত হয় ( চিত্র - 11 - 11 ) । এই D বিন্দু থেকেই চাজ পুনরায় হ্রাস পেতে থাকে , অর্থাৎ ক্যাপাসিটার পুনরায় ডিসচার্জ হতে শুরু করে । আর যখন E বিন্দুতে পৌঁছায় তখন ক্যাপাসিটার সম্পণে ডিসচার্জড় হয়ে যায় ( চিত্র 11 - 12 ) । ও ই | ক্যাপাসিটার যুক্ত সার্কিটে কারেন্ট ভােল্টেজের চেয়ে 90° আগে থাকে । থাকে । কাভের আকারে প্রকাশ করা যায় ( চিত্র — 11 - 13 ) । a le9 . এখান থেকে আমরা জানতে পারলাম যে , ক্যাপাসিটারের প্লেটে এ . সি . ভােল্টেজ প্রয়ােগ করলে কিছু পরিমাণ কারেন্ট  সার্কিটে প্রবাহিত হয় ,  যেহেত , 9০° ক্যাপাসিটার প্রথম বার চার্জ গ্রহণ করছে এবং পরের বার ডিসচার্স হচ্ছে ।

* এইভাবে এক সেকেন্ডের মধ্যেই একটা ক্যাপাসিটার বেশ কয়েকবার চার্জ গ্রহণ চিত্র - 11 - 13 9 করে এবং ডিসচার্জ হয় । • ক্যাপাসিটারের ওয়ার্কিং ভােল্টেজ  . আমরা জানি যে , ক্যাপাসিটারের ক্যাপাসিটেন্স ভ্যাল , আছে । একে ক্যাপাসিটারের ডি . সি . ওয়ার্কিংভােল্টেজের । সাহায্যে চিহ্নিত করা হয় । কোন একটা ক্যাপাসিটারে সর্বোচ্চ কতটা চার্জিং ভােল্টেজ প্রয়ােগ করা যাবে , সেটা তার । ডি . সি . ওয়ার্কিং ভােল্টেজই স্থির করে দেয় । যদি কোন সময় ক্যাপাসিটারে প্রযুক্ত ভােল্টেজ নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি হয়ে যায় , তাহলে তখন ক্যাপাসিটারে ব্যবহৃত ইনসুলেশানের লেয়ার নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে । অর্থাৎ ওয়ার্কিং ভােল্টেজটাই হচ্ছে ক্যাপাসিটারের ব্রেকডাউন ভােল্টেজ । ব্রেকডাউন ভােল্টেজ ডাই - ইলেকট্রিকের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটারের প্লেটগুলির মধ্যে সংযােগ ঘটায় । এরফলে ক্যাপাসিটার শর্ট ( short ) হয়ে যায় , অর্থাৎ নষ্ট হয়ে যায় । কোথাও পুরাতন ক্যাপাসিটার পরিবর্তন করে নতুন ক্যাপাসিটার ব্যবহার করার প্রয়ােজন হলে , ক্যাপাসিটারের ভ্যাল , ও ওয়াকিং ভােল্টেজের কথাটা অতি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে । এ . সি . ভােল্টেজকে r . m . s . ভ্যালতে প্রকাশ করা হয় । এবং এর পিক ভ্যাল ( সবেচ্চি ভ্যাল , । হচ্ছে ।  r . m . s .ভ্যালর চেয়ে 141 গুণ বেশি । সুতরাং কোন ক্যাপাসিটারকে যদি 230V এ . সি . সাকিটে ব্যবহার করার । প্রয়ােজন হয় ,তাহলে তার ওয়াকিং ভােল্টেজ হতে হবে 230x1 : 41 = 3243 ভােট । সাধারণত চারটি বিষয়ের উপরেই নির্ভর করে ক্যাপাসিটারের ক্যাপাসিটি ।

যথা ( i ) প্লেটগলির ক্ষেত্রফল ( Area of a plates ) ; ( ii ) প্লেটগুলির মধ্যে দূরত্ব ( Distance between the plates ) ; ( iii ) প্লেটের সংখ্যা ( Number of plates ) ; ( iv ) ডাই - ইলেকট্রিক ( Dielectric ) । ও প্লেটগুলির ক্ষেত্রফল ক্যাপাসিটারের ক্যাপাসিটি তার প্লেটগুলির ক্ষেত্রফলের সমানুপাতিক । সুতরাং প্লেটের ক্ষেত্রফল অর্থাৎ সাইজ বা আকার বাড়লে ক্যাপাসিটিও বাড়বে । এবং ক্ষেত্রফল কমলে ক্যাপাসিটি কমবে । যদি প্লেটের ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ করা হয় তাহলে ক্যাপাসিটিও দ্বিগুণ হব । অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে যে , প্লেটগলির ক্ষেত্রফল বা এরিয়া বেশি হলে তার চাজ জমা হওয়ার জায়গাও বেশি হবে । সুতরাং বেশি জায়গায় চার্জও বেশি জমা হবে , অর্থাৎ বেশি চার্জের জন্য অনেক বেশি মুক্ত ইলেকট্রন পাওয়া যাবে । কি প্লেটগুলির মধ্যে দূরত্ব ক্যাপাসিটারে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্লেটগুলির মধ্যে দূরত্ব যত কম হবে , ক্যাপাসিটারের ক্যাপাসিটি তত বেশি হবে । আর প্লেটগুলির মধ্যে দূরত্ব যত বেশি হবে ক্যাপাসিটি তত কম হবে । অর্থাৎ ক্যাপাসিটারের ক্যাপাসিটি তার প্লেটগুলির মধ্যের দরত্বের ব্যস্তানুপাতিক ( inversely proportional ) । যখন প্লেটগুলির মধ্যবর্তী দূরত্ব কম হবে , তখন দুটো বিপরীত চার্জের মধ্যে আকর্ষণী ক্ষমতা ( force of attrac tion ) খুব বেশি হবে । ও প্লেটের সংখ্যা — যদি ক্যাপাসিটারে ব্যবহৃত প্লেটের সংখ্যা বেশি হয় , তাহলে তার ক্যাপাসিটিও বেশি হবে । কারণ প্লেটের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লেটের ক্ষেত্রফলও বেড়ে যায় । আবার যেহেতু ক্ষেত্রফল বাড়লে ক্যাপাসিটি বাড়ে , তাই ক্যাপাসিটারের প্লেটের সংখ্যা বাড়লে ক্যাপাসিটিও বাড়ে । ও ডাই - ইলেকট্রিক ক্যাপাসিটারের যে - কোন দুটো প্লেটের মধ্যবর্তী ডাই - ইলেকট্রিকের উপর ক্যাপাসিটারের ক্যাপাসিটি নির্ভর করে । প্রত্যেক ডাই - ইলেকট্রিকের তার নিজস্ব নির্দিষ্ট স্থির ডাইইলেকট্রিক অথাৎ ডাইইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট { dielectric constant ) আছে । একে ‘ K ’ অক্ষরের সাহায্যে প্রকাশ করা হয় । যেমন বাতাসের ক্ষেত্রে তার ‘ K ' - এর ভ্যাল , হচ্ছে 1 । ডাই - ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট হচ্ছে ক্যাপাসিটারের সক্ষমতা বা এবিলিটি ( ability ) , যার সাহায্যে দটো বিপরীত চার্জের মধ্যে ইলেকট্রিক লাইনস , অফ ফোর্স সৃষ্টি করা যায় । বাতাস ছাড়া অন্য পদার্থকে ডাইইলেকট্রিক হিসাবে ব্যবহার করলে তাতে ক্যাপাসিটারের ক্যাপাসিটেন্স বাড়ে , কারণ তাদের ডাই - ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট বাতাসের চেয়ে বেশি । এ ব্যাপারে নীচের তালিকাটা দেখলে বুঝতে সুবিধা হবে । ডাই - ইলেকট্রিক হিসাবে ডাই - ইলেকট্রিক | ডাই - ইলেকট্রিক হিসাবে ডাই - ইলেকট্রিক ব্যবহৃত পদার্থ । | কস্ট্যান্ট ( K ) । ব্যবহৃত পদার্থ কস্ট্যান্ট ( K ) বাতাস । কাঁচ । 42 । রবার । পাের্সেলিন 55 কাগজ 3 - 5 মাইকা ( অভ্র ) 5 - 9 ০৫ ক্যাপাসিটারের প্রকারভেদ ( Types of Capacitor ) ৩৬ । সমস্ত ক্যাপাসিটার বা কন্ডেনসারকে প্রধানত দু ' ভাগে ভাগ করা হয় । যথা — ফিক্সড , কন্ডেনসার ( fixed condenser ) এবং ভ্যারিয়েবল কন্ডেনসার ( variable condenser ) । এই দুটো ভাগ ছাড়াও ক্যাপাসিটারের বিভিন্ন । আকলিত ( shape ) , আয়তন ( size ) ও গঠন প্রণালী ( construction ) অনুযায়ী তাদের আরও কয়েকটি ভাগে ভাগ । করা হয় । এ সম্বন্ধে পরের পৃষ্ঠায় বিস্তারিত আলােচনা করা হয়েছে ।